বক্সা ফরেস্ট ডিভিশনে তৃণমূলের কর্মচারি সংগঠন আরও শক্তিশালি হল
দি নিউজ লায়নঃ বক্সা ফরেস্ট ডিভিশনে তৃণমূলের কর্মচারি সংগঠন আরও শক্তিশালি হল। শনিবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে আরএসপি প্রভাবিত জয়েন্ট কাউন্সিল, সিপিএমএর কো-অর্ডিনেশন কমিটি ও কংগ্রেসের ইনটাকভূক্ত সরকারি কর্মচারী সংগঠনের ২০০ জন নেতা কর্মী তৃণমূলের সরকারি কর্মচারি ফেডারেশনের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের শাখা সংগঠনে যোগ দিলেন।
এদিন শহরে দলিল লেখক সমিতির হলঘরে বিরোধী দলের সরকারি কর্মচারী সংগঠনের বক্সা ডিভিশনের কর্মচারী, কর্মী ও নেতাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি সুরজিত মজুমদার। উল্লেখযোগ্য দলত্যাগীদের মধ্যে আছেন জয়েন্ট কাউন্সিলের বক্সা ডিভিশনের সম্পাদক অরূপ নন্দী, কংগ্রেসের ইনটাকভূক্ত বনদফতর উইংসের রাজ্য কমিটির সদস্য গৌতম সরেন, মদন দেওয়ান ও দেবদুলাল সরকার।
তৃণমূলের সরকারি কর্মচারী সংগঠনের বনদফতর উইংসের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, এই দল বদলের ফলে আমাদের সংগঠন আরও শক্তিশালি হবে। আমাদের কর্মচারি আন্দোলন আরও শক্তিশালি হবে। আমরা গ্রামবাসী ও বনবস্তিবাসীদের আরও বেশী করে জেএফএমসি ( জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি)গুলিতে যুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
দেবাশিসবাবু বলেন, বক্সা ডিভিশনে প্রায় ২০০ জন কর্মী দৈনিক মজুরীতে কাজ করছে। দৈনিক মজুরীতে কাজ করা কর্মীরা প্রতি মাসে মাত্র ৪০০০-৫০০০ হাজার টাকা পায়। বর্তমানে অগ্নিমূল্যের বাজারে দৈনিক মজুরীতে কাজ করা এই কর্মীদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই জন্য আমাদের দাবি, দৈনিক মজুরীতে কাজ করা কর্মীদের মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে। প্রসঙ্গত, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পশ্চিম ও পূর্ব দু’টি ডিভিশন মিলিয়ে প্রায় ১০০টি জেএফএমসি কমিটি আছে। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি ট্রাস্ট থেকে জেএফএমসিগুলিকে অর্থ সাহায্য করা হয়। জঙ্গলে গাছ কাটা, জঙ্গল সুরক্ষা, বন্যজন্তু তাড়ানো ও বন্যজন্তুর দেহাংশ পাচার রুখতে জেএফএমসি’তে থাকা গ্রামবাসী ও বনবস্তিবাসীরা বনদপ্তরকে সাহায্য করে থাকে।

Post a Comment